মরণের ডঙ্কা বাজে – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

১. চাঁদপাল ঘাট মরণের ডঙ্কা বাজে – কিশোর উপন্যাস – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় চাঁদপাল ঘাট থেকে রেঙ্গুনগামী মেল স্টিমার ছাড়ছে। বহু লোকজনের ভিড়। পুজোর ছুটির ঠিক পরেই। বর্মা প্রবাসী দু-চারজন বাঙালি পরিবার…

মিসমিদের কবচ – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

১. শ্যামপুর গ্রাম মিসমিদের কবচ – কিশোর উপন্যাস – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় প্রথম পরিচ্ছেদ শ্যামপুর গ্রামে সেদিন নন্দোৎসব। শ্যামপুরের পাশের গ্রামে আমার মাতুলালয়। চৌধুরী-বাড়ির উৎসবে আমার মামার বাড়ির সকলের সঙ্গে আমারও নিমন্ত্রণ…

সুন্দরবনে সাত বৎসর – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

১. মকরসংক্রান্তি সুন্দরবনে সাত বৎসর – কিশোর উপন্যাস – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় শ্ৰীযুক্ত সুধীন্দ্রনাথ সরকার টেলিফোন–সাউথ ৯৩২ ১৫৪, হরিশ মুখুজ্যে রোড ৭২, বকুলবাগান রোড কলিকাতা–২৫ কলিকাতা-২৫ ১৫/১০/৫২ প্রীতিভাজনেষু, সুন্দরবনে সাত বৎসর…

হীরামানিক জ্বলে – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

১. ছোট্ট গ্রাম সুন্দরপুর হীরামানিক জ্বলে – কিশোর উপন্যাস – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় ছোট্ট গ্রাম সুন্দরপুর। একটি নদীও আছে গ্রামের উত্তর প্রান্তে। মহকুমা থেকে বারো-তেরো মাইল, রেলস্টেশন থেকেও সাত-আট মাইল। গ্রামের মুস্তাফি…

অথৈজল – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

১. বাড়িতে কেউ নেই অথৈজল – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় বাড়িতে কেউ নেই। ডিসপেনসারির কাজ সেরে এইমাত্র বাজার থেকে ফিরে এসেছি। পাড়ার সনাতন চক্কত্তি বাইরের বৈঠকখানায় বসে আছে। বললাম—কি সনাতনদা, খবর কি?…

অনশ্বর – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

১. রামলালের চাকরিটা গেল ১ রামলালের চাকরিটা গেল। এমন কিছু নয়, সামান্য ত্রিশ টাকা মাইনের গ্রাম্য বালিকা বিদ্যালয়ের হেড পণ্ডিতের পদ। কিন্তু আজকাল নতুন কি সব নিয়ম হয়েচে গবর্ণমেন্টের, ষাট…

অনুবর্তন – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

১. ক্লার্কওয়েল সাহেবের স্কুল উৎসর্গ আচার্য প্রফুল্লচন্দ্রের করকমলে . ওয়েলেসলি স্ট্রীটের আর পিটার লেনের মোড়ে ক্লার্কওয়েল সাহেবের স্কুল-বাড়িটা বেশ সরগরম হইয়া উঠিয়াছে। বেলা দশটা। ছাত্রের দল ইতিমধ্যে আসিতে শুরু করিয়াছে,…

কেদার রাজা – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

০১. নীলমণি চাটুজ্জে বাড়ি ফেরবার পথে কেদার রাজা – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় এক দুপুর বেলায় নীলমণি চাটুজ্জে বাড়ি ফেরবার পথে গ্রামের মুদির দোকানে জিজ্ঞেস করলেন, হ্যাঁ গো ছিবাস, কেদার রাজাকে দেখেছিলে…

দুই বাড়ি – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

১. রামতারণ চৌধুরী দুই বাড়ি – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রামতারণ চৌধুরী সকালে উঠিয়া বড় ছেলে নিধুকে বলিলেন—নিধে, একবার হরি বাগদীর কাছে গিয়ে তাগাদা করে দ্যাখ দিকি৷ আজ কিছু না আনলে একেবারেই গোলমাল৷ নিধুর…

হাসি

হাসি স্টেশনের ওয়েটিং রুমের ভেতরে-বাইরে কোথাও অন্য লোক ছিল না, বেহারাটাকেও ডেকে ডেকে পাওয়া গেল না। অগত্যা চায়ের আশায় জলঞ্জলি দিয়ে আমরা কয় বন্ধুতে বেশ করে ‘রাগ’ টেনে নিয়ে ইজিচেয়ারে…